এ হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর কাছে তার মর্যাদার বর্ণনা দিয়েছেন। আল্লাহর কাছে তার মর্যাদা ভালোবাসার সর্বোচ্চ শিখরে, যেমনিভাবে ইবরাহীম ‘আলাইহিস সালাম তা অর্জন করেছিলেন। এ কারণে তিনি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে খলীল (অন্তরঙ্গ বন্ধু) হিসেবে গ্রহণ করাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন; কেননা তার অন্তর আল্লাহ তা‘আলার ভালোবাসা, সম্মান ও তাঁর পরিচয় দিয়ে পরিপূর্ণ। ফলে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধু বানানোর কোন স্থান নেই। সৃষ্টিজগতের কেউ যদি তার খলীল হতেন, তবে আবূ বকর সিদ্দীক রদিয়াল্লাহু ‘আনহুই হতেন। অতপর তিনি উম্মতকে তাঁর প্রতি ভালোবাসার শর‘ঈ সীমা লঙ্ঘন করতে সাবধান করেছেন, যেমনিভাবে ইয়াহুদী ও খৃস্টানরা তাদের নবী ও নেককারদের কবরের সাথে করেছে, এমনকি তারা তাদের কবরকে শিরকের মাধ্যম করেছে, যেখানে আল্লাহ ব্যতীত অন্যের ইবাদত করা হয়। তারা তাদের কবরকে মসজিদ ও উপাসনালয় বানিয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উম্মতকে পূর্ববর্তী উম্মতের অনুরূপ (কবরকে মসজিদে পরিণত) করতে নিষেধ করেছেন।