নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন, যে ব্যক্তি শাসকদের আনুগত্য থেকে বের হলো এবং ইমামের বায়আতের ওপর ঐকমত্য পোষণকারী ইসলামের জামাআত পরিত্যাগ করল, তারপর জামাআত থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া ও আনুগত্য ত্যাগ করা অবস্থায় মারা গেলো, সে জাহিলিয়্যতের মতই মারা গেলো, যারা কোনো আমীরকে মানতো না এবং কোনো এক জামাআতের সাথে সম্পৃক্ত হতো না, বরং তারা বিভিন্ন দল ও গ্রুপে বিভক্ত ছিল, একে অপরের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হত। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন, যে ব্যক্তি এমন পতাকার অধীনে যুদ্ধ করলো যেখানে হক থেকে বাতিল স্পষ্ট নয়, স্রেফ জাতি অথবা গোত্রের স্বার্থে গোস্বা করে, দীন ও হককে সাহায্য করার জন্যে নয়, ভালো-মন্দ যাচাই না করে ও না জেনে কেবল গোত্রপ্রীতির স্বার্থে যুদ্ধ করে, যখন সে এই অবস্থায় মারা গেলো, তার মৃত্যুটি জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুর মত হলো। আর যে ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতের ওপর বিদ্রোহ করল, তার উম্মতের নেককার ও বদকার সবাইকে হত্যা করে, আর সে যা করে তার পরিণতির কোনো পরোওয়া করে না এবং মুমিনদের হত্যা করার শাস্তির ভয় করে না, কাফিরদের অথবা শাসকদের ওয়াদাকে পূর্ণ করে না, বরং তা কেবল ভঙ্গ করে, তাহলে এটা কবীরা গুনাহ। যে এরূপ করল সে এই কঠোর হুশিয়ারীর উপযুক্ত হলো।