নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সফরে একটা প্রয়োজনে আম্মার ইবন ইয়াসির রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে বাইরে পাঠিয়েছিলেন। অতঃপর সফরে তিনি সহবাস বা উত্তেজনায় বীর্য বের হয়ে অপবিত্র হয়ে পড়লেন। কিন্তু গোসলের জন্যে তিনি পানি পেলেন না। তখনও তিনি বড় নাপাকী থেকে পবিত্রতা অর্জনের জন্যে তায়াম্মুমের বিধান জানতেন না। তিনি জানতেন যে, এর বিধান হলো: ছোট অপবিত্রতা থেকে পবিত্র অর্জন করা যায়। তাই তিনি ইজতিহাদ করলেন এবং ধারণা করলেন যে, ছোট অপবিত্রতা থেকে পবিত্র হওয়ার জন্যে অযুর ক্ষেত্রে তায়াম্মুমে যেভাবে কিছু অঙ্গ মাটি দ্বারা মাসেহ করতে হয়, জুনুবী তথা বড় অপবিত্রতা থেকে তায়াম্মুমের মাধ্যমে পবিত্র হতে হলেও পুরো শরীরে মাটি লাগাতে হয়। ফলে তিনি পানির উপর কিয়াস করে মাটিতে গড়াগড়ি করলেন, যাতে পুরো শরীরে মাটি লাগে। অতঃপর তিনি সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন তখন তিনি ঘটনাটি তাঁর কাছে বর্ণনা করলেন। যাতে তিনি নিশ্চিত হন যে, তিনি যে পদ্ধতিতে তায়াম্মুম করেছেন, তা সঠিক কি না? অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছোট অপবিত্রতা, যেমন পেশাব-পায়খানা থেকে পবিত্রতা অর্জন এবং বড় অবিত্রতা যেমন সহবাস বা মাসিক জনিত কারণে অপবিত্রতা থেকে পবিত্রতা অর্জনের পদ্ধতি বর্ণনা করেন এভাবে: হাতদ্বয় একবার মাটিতে মারবে, অতঃপর বাম হাত ডান হাতের উপরে মাসাহ করবে এবং এর দ্বারা হাতের তালুর উপরিভাগ এবং চেহারা মাসাহ করবে।