আসমা বিনত আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা-বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক দিন দাঁড়িয়ে মানুষের মধ্যে খুৎবাহ দিচ্ছিলেন তাতে তিনি তাদের ওয়ায করছিলেন এবং আখিরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছিলেন। এমনকি তিনি কবর ও কবরের অবস্থা তুলে ধরেন এবং কবরের ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করেন। এখানে কবরের ফিতনা দ্বারা উদ্দেশ্য মুনকার ও নকীর দুই ফিরিশতার রব, দীন ও নবী সম্পর্কে প্রশ্ন করা। একে ফিতনা বলে নামকরণ করা হয়, কারণ এটি একটি মহা ফিতনা যা দ্বারা একজন বান্দার ঈমান ও বিশ্বাস সম্পর্কে পরীক্ষা নেওয়া হবে। যাকে এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার তাওফীক দেওয়া হবে সে কামিয়াব। আর যে ফেল করবে সে ধ্বংস হবে। যখন তিনি তা আলোচনা করলেন মুসলিমগণ কবরের ফিতনা থেকে ভয়ার্ত হয়ে খুব বেশি চিৎকার করতে লাগলেন। তাদের এ চিৎকার আসমা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে রাসূলের কথা বুঝাতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করল। তারপর যখন চিৎকার থামল, আসমা রাদিয়াল্লাহু আনহা তার পাশের এক লোককে জিজ্ঞাসা করলেন, আল্লাহ তোমাকে বরকতময় করুক। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাহ তার কথার শেষাংশে কি বলেছেন? সে বলল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা তার কাছে ওহী প্রেরণ করেছেন যে, “মানুষকে দাজ্জালের ফিতনার মতো কাছাকাছি ফিতনা দ্বারা কবরে পরীক্ষা করা হবে। কারণ, দাজ্জালের ফিতনা খুব মারাত্মক ও কঠিন। অনুরূপভাবে কবরের ফিতনা।