উম্মে হাবিবাহ বিনতে আবু সুফিয়ান মুমিনদের মায়েদের একজন (আল্লাহ তাদের সবার প্রতি সন্তুষ্ট থাকুন) তিনি নবী সাল্লাল্লামের বিয়ের কারণে নিজেকে অনেক সৌভাগ্যবাতী ও সুখী ভাবতেন। আর এটা করা তার জন্যে যথাযথও ছিল। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আবদার করলেন, তিনি যেন তার বোনকে বিয়ে করেন। তিনি আশ্চর্যবোধ করলেন, একজন নারী কীভাবে তার সতীনকে পছন্দ করে? কারণ, এ ব্যাপারে নারীদের অনেক অহমিকা কাজ করে। এই জন্যেই তিনি আশ্চর্য হয়ে তাকে জিজ্ঞাসার সুরে বললেন, এটা কি তুমি পছন্দ কর? তিনি বললেন, হ্যাঁ। এটা আমি পছন্দ করি। অতঃপর তাকে কারণটি বললেন, অর্থাৎ তার মন তার বোনকে সতীন হিসেবে গ্রহণ করতে সম্মত হয়েছে যেহেতু সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যাপারে একা নয়, অন্যান্য নারী তার অংশীদার আছে, তাই এই কল্যাণে তার অংশীদার তার বোনই হোক। হয়তো তিনি জানতেন না, দুই বোনকে একত্র বিয়ে করা যায় না, এজন্যই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, তার বোন তার জন্য হালাল নয়। তারপর বললেন, তিনি শুনতে পেয়েছেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মে সালামার মেয়েকে বিয়ে করবেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রশ্ন করলেন। তিনি বললেন, তুমি বিনত উম্মে সালামার কথা বলছ? সে বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি এ গুজব মিথ্যা প্রমাণ করে বললেন,উম্মে সালামার মেয়ে দু’টি কারণে আমার জন্যে হালাল নয়। এক. সে আমার পালক, আমি তার দেখাশোনা করেছি, তাই সে আমার স্ত্রীর মেয়ে। দুই. সে আমার দুধ ভাইয়ের মেয়ে। কারণ, আমাকে ও তার বাবাকে আবূ লাহাবের আযাদকৃত বাদী সুআইবাহ দুধ পান করিয়েছে। তাই আমি তার চাচা। অতএব, তোমরা তোমাদের মেয়ে ও বোনদের আমার ওপর পেশ কর না। এসব ব্যাপারে আমারটা আমিই ভালো জানি।