আনসারদের একব্যক্তি তার গোলামকে মৃত্যুর পরে কার্যকর হবে এই শর্তে আযাদ করলেন। অথচ তার এ ছাড়া আর কোন মাল ছিলো না। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এ সংবাদ পৌঁছলে তিনি এ ধরণের আযাদ করাকে বাড়াবাড়ি হিসেবে গণ্য করলেন এবং এ কাজকে তিনি সমর্থন না করে প্রত্যাখ্যান করলেন। তিনি তাঁর গোলামটিকে আট’শ দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করে দেন এবং প্রাপ্তমূল্য তার নিকট পাঠিয়ে দেন। কেননা তার জন্য গোলাম আযাদের চেয়ে নিজের ও পরিবারের খরচ বহন করা উত্তম ছিলো। যাতে সে মানুষের ওপর নির্ভরশীল হয়ে না পড়ে। এ ধরণের হাদীসে কতিপয় বিধান রয়েছে যা মানুষের জানা উচিত; যদিও সে তা আমল না করে। বর্তমান যুগে গোলাম প্রথা নেই এ দাবীতে এ সব জ্ঞান অর্জন ও তা গভীরভাবে উপলব্দি করা ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। কেননা বর্তমান যুগেও আফ্রিকায় দাসপ্রথার প্রচলন রয়েছে। আবার হয়ত এ প্রথা ফিরে আসতে পারে। এ প্রথা আদম আলাইহিস সালাম থেকে ইসলামের আগমন পর্যন্ত এমনকি ইসলাম আগমনের পরেও বলবৎ ছিলো। তবে দাস প্রথা থাকলে ইসলাম সর্বদা স্বাধীনতা ও দাস আযাদের প্রতি উদ্বুদ্ধ করে।